নন্দীগ্রামে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ, দুর্ভোগে ৩০ পরিবার

তাজা খবর , স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :: বগুড়ার নন্দীগ্রামে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পানিতে কুন্দারহাট পুকুরপাড়া এলাকার প্রায় ৩০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় বৃষ্টির পানি ঢুকেছে ঘরে, চলাচলের পথেও পানি। ফলে কুন্দারহাট পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ির পেছনের মহল্যায় থাকা মানুষগুলো চরম দুর্ভোগ পড়েছেন।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, ইউপি সদস্যের অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও কুন্দারহাট বাজারে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে অবৈধ স্থাপনা করায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় এ দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রান্নাঘরে পানি উঠায় জ¦লছে না তাদের চুলা, বাড়ি-ঘরের ভেতরেও পানি। ডুবে গেছে ফসল, বেরিয়ে গেছে পুকুরের মাছ। বাড়ি থেকে বের হওয়ার চলাচলের ছোট কাঁচা রাস্তায় পানি উঠে ময়লা কাদায় একাকার।

লেমন ও আঙ্গুরী বেগম সহ স্থানীয়রা জানান, কুন্দারহাট বাজারের সড়কে পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্ট রয়েছে। ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে সেটি এখন অকেজো। নতুন পুলিশ ফাঁড়ির সীমানা প্রাচীর এবং অপরিকল্পিত বাড়িঘর নির্মাণ করায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ঘরের মধ্যে পানি উঠে। নোংড়া ময়লা আবর্জনা ভেসে ভেসে ঘরে আসায় দুর্গন্ধে চরম বিপাকে রয়েছেন ভুক্তভোগীরা। পানিজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব এবং ঘরে ঢুকছে বিষাক্ত পোকামাকড়।

ভুক্তভোগী গেদু মিয়া বলেন, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় আমরা ৩০ পরিবার খুব কষ্টে আছি। ঘরে নোংড়া পানি ঢুকেছে, দুর্গন্ধে রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারিনা। বিষাক্ত পোকামাকড়ের ভয় তো আছেই।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীরা লিখিতভাবে জানালে সরেজমিনে গিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন