থালতা-মাঝগ্রাম এখন মডেল ইউনিয়ন

এই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন। ইউনিয়নের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সাথেই তিনি আত্মীয়পূর্ণ সম্পর্ক গড়েছেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই প্রত্যন্ত গ্রামে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। বিদ্যুৎ বঞ্চিত ঘরে ঘরে সোলার প্যানেল স্থাপন সহ গ্রামের দুর্দশাগ্রস্ত কাঁচা রাস্তাগুলো সোলিং ও ঢালাইকরণ কাজের মধ্যদিয়ে গ্রামকে শহরে রুপ দিচ্ছেন চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন।
প্রাপ্ততথ্যে জানা গেছে, ইউনিয়নের প্রায় ৯৮ ভাগ মানুষ কৃষিতে ওপর নির্ভর। ধান সহ বিভিন্ন সবজি চাষের উপার্জিত আয়ের টাকায় থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়নের মানুষের পরিবার চলে। আব্দুল মতিন চেয়ারম্যান থাকাকালে গত পাঁচ বছরে প্রায় ৫ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। রাস্তাঘাট, গ্রামীণ অবকাঠামো ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হওয়ায় এখন মডেল ইউনিয়নে পরিণত হয়েছে ‘থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়ন’।

শহীদ মিনার নির্মাণ :

নিমাইদিঘী হাইস্কুল চত্বর ও বাঁশো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বর সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন : 
গোপালপুর দুটি ব্রিজ, গুলিয়া কৃষ্টপুর ১টি ব্রিজ, পারশুন সানিপুকুর এলাকায় ১টি ব্রিজ, চাতরাগাড়ি ১টি ব্রিজ, মাঝগ্রাম রাস্তায় ১টি ব্রিজ, থালতা এলাকায় ১টি ব্রিজ, চককয়া এলাকায় ১টি ব্রিজ, বাঁশো এলাকার ১টি ব্রিজ ও বনগ্রাম রাস্তায় ১টি ব্রিজ নির্মাণ হয়েছে।
রাস্তার সোলিং ও ঢালাইকরণ :
গ্রামে গ্রামে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সহ আন্দাসুরা এলাকায় রাস্তা ঢালাইকরণ, ধাওয়াস গ্রামে ঢালাইকরণ, বাটদীঘি দক্ষিণপাড়ায় ঢালাইকরণ, বাঁশো দক্ষিণপাড়ায় ঢালাইকরণ, চাঁনপুর এলাকার ঢালাইকরণ, গোপালপুর হিন্দুপাড়ায় ঢালাইকরণ রাস্তা সহ থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের মধ্যেই রাস্তার সোলিং কাজ করা হয়েছে এবং এখনো উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান।
থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন বলেন, গত পাঁচ বছরে প্রায় ৫ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামকেই শহরে রুপ দেওয়ার প্রচেষ্টা করছি। থালতা-মাঝগ্রাম এখন মডেল ইউনিয়ন। জনগণকে দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তায়নের চেষ্টা করেছি।
চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, উন্নয়ন করেছি জনগণকে সাথে নিয়ে। আমি নিজেকে জনগণের প্রত্যেক পরিবারের সদস্য মনে করি। উন্নয়ন করেছি বলেই জনগণ আমাকে আস্থা রেখেছে। উন্নয়ন এগিয়ে নিতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটাররা আমাকেই আবারও বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন প্রত্যাশা করি।
ডেস্ক/তাজাখবর/এনআর/দয়া

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন