পড়ছে কুয়াশা, বাড়ছে শীত

তাজা খবর করেসপন্ডেন্ট :: দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মৌসুমী আবহাওয়ার বৈপরিত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হেমন্তের হাত ধরেই আসে শীত। কার্তিকের শুরু থেকেই এমন শীতের আবহ তৈরি হলেও গত তিন দিন থেকে কুয়াশার সাথে কনকনে শীত পড়তে শুরু করেছে।

সাত-সকালে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় টের পাওয়া যাচ্ছে, ধীর পায়ে শীত নামছে প্রকৃতিতে। শিশির ভেজা ভোর যেনো জানান দিচ্ছে শীত আসছে। ভোরের আলো ফোটার আগেই প্রকৃতিতে ভর করেছে ঘন কুয়াশা। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে ভূরুঙ্গামারীর আকাশ। কমছে বাতাসের আর্দ্রতা আর বাড়ছে হিমেল হাওয়া। তাপমাত্রা থাকছে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রী।

অপর দিকে ভোরের আলো ফোটার পর থেকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে পড়ছে প্রচন্ড গরম। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। মৌসুমি রোগবালাই বেড়েছে।

চা ব্যবসায়ী শহিদ বলেন, ‘দিনে রোদের তাপ বেশ ভালোই থাকে। সন্ধ্যা হতেই বইতে শুরু করে ঠান্ডা বাতাশ তাই গরম কাপড় পড়ে রাতে চা বানাতে হয়।

চিকিৎসকরা জানান, বর্তমান আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে শীত ও গরম বিরাজ করছে। পাশাপাশি এ কারণে শিশুদের মাঝে দেখা দিচ্ছে সর্দি কাশি। তাই এ সময় অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে যাতে শিশুদের শীত গরম আবহাওয়া থেকে রক্ষা করা যায়।

রাজারহাট আবহাওয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ সকালে কুড়িগ্রামে ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তাপমাত্রা থাকছে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রী। দু-এক দিনে এই তাপমাত্রা আরও নেমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে তিনি।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম জানান- আবহাওয়ার পরিবর্তন ও শীতের কারণে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। হাসপাতালে ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি, কাশি, এজমাসহ বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। যার মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যা বেশি।

ডেস্ক/তাজাখবর/মনিরুজ্জামান

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন