‘মানুষের পাশে দাঁড়ান, আত্মতৃপ্তি সেখানেই পাবেন’

তাজা খবর, বিনোদন প্রতিবেদক :: ১৫ জানুয়ারি জন্মদিন এলেই ‘মাকে’ খুব মনে পড়ে। প্রত্যেক বছর জন্মদিন আসে কিন্তু আমার ‘মা’ আসেনা। ৭ বছর বয়সে মা হারিয়েছি। প্রতিটি সেকেন্ড মাকে অনুভব করি- আবেগাপ্লুত হয়ে কথাগুলো বলছিলেন তরুণদের পছন্দের মিউজিশিয়ান সুমন চৌধুরী রানা।

তিনি প্রতিভা মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার। রাজধানীর মগবাজার মিডিয়া গলিতে তিনি গানের স্টুডিও প্রাকটিস প্যাড, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট হাউজ, ড্যান্স একাডেমী করেছেন। রোড এন্ড হাইওয়ে ডিপার্টমেন্টের ঠিকাদার হিসেবেও রয়েছে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি।

১৯৭৭ সালের ১৫ জানুয়ারি হবিগঞ্জ জেলা সদরের সুনারু গ্রামে জন্মগ্রহন করেন সুমন চৌধুরী রানা। বেড়ে উঠেছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। বাবা শিতেশ রঞ্জন চোধুরী পেশায় সঙ্গীত শিক্ষক। তিনি পাকিস্তান আমলে সঙ্গীত নিয়ে চট্টগ্রাম বেতারে কর্মরত ছিলেন। সুমন রানার মাত্র ৭ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন মা প্রতিভা চোধুরী।

১৯৯৫ সাল থেকে একটানা ১৩ বছর যন্ত্রশিল্পী ছিলেন সুমন। দেশে-বিদেশে মিউজিশিয়ান হিসাবে অনেক প্রোগ্রাম করেছেন। নিজেই গানের প্রোগ্রাম এরেঞ্জ করতেন। ২০১০ সাল থেকে বিজনেস শুরু করেন।

১৫ জানুয়ারি জন্মদিন উপলক্ষে বড় কোনো আয়োজন করেননি সুমন রানা। করোনার দুর্দিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় মানুষের কাছে দান-বীর হিসেবে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। ২০২১ সালের জন্মদিন আসার পূর্বেই শীতার্ত মানুষের পাশে শীতবস্ত্র নিয়ে মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে লক্ষ্য করা গেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে সুমন চৌধুরী রানা বলেন, জন্মদিনে বিশেষ কোনো আয়োজন নেই। তবে ঘরোয়াভাবে ছোট আয়োজন হতে পারে। আমার প্রিয়জন, সহকর্মী ও ভক্তদের বলতে চাই, ‘যতোটা পারেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান’। আত্মতৃপ্তি সেখানেই পাবেন।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন