দুই সহযোগীসহ ডাকাত আজমীর গ্রেফতার

তাজা খবর, মেহেদী হাসান: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় পুলিশের অস্ত্র চুরি মামলার আসামি আজমীর ওরফে ডাকাত আজমীরকে দুই সহোযোগীসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়া ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সার যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারী) দিবাগত রাতে তাকে গ্রেফতার করা হলেও শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।  গ্রেফতারকৃতরা হলেন ফতুল্লা থানার দাপা ইদ্রাকপুরের দাপা নামা মসজিদ এলাকার শহিদ হোসেন ওরফে ডাকাত শহিদের ছেলে আজমীর (২৫), আলীগঞ্জ স’মিল গলির সোহেলের বাড়ীর ভাড়াটিয়া রতন সরদারের ছেলে আল আমিন (২৫) ও ফতুল্লা তক্কার মাঠ এলাকার মৃত আকবরের ছেলে শিশির (২৮)।

গ্রেফতারকৃত আজমীরের বিরুদ্ধে পুলিশের অস্ত্র চুরি মামলা সহ ডাকাতি, মাদক মামলা রয়েছে জানিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে গ্রেফতারকৃত আজমীর দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় এক অটোরিক্সা চালককে মারধর করে তার নিকট থেকে ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ছিনিয়ে নেয়া অটোরিক্সাটির ব্যাটারী, চাকা, বডিসহ সকল যন্ত্রাংশ খুলে গ্রেফতার হওয়া সহযোগিদের নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে দেয়। ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া অটোরিক্সা চালকের নিকট অটোরিক্সা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি জানতে পেরে রাতেই পুলিশ অভিযানে নামে।

থানার ওসি বলেন, অভিযান চালিয়ে প্রথমে বাহিনী প্রধান আজমীরকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক আল-আমিন ও শিশিরকে গ্রেফতার করে এবং ছিনিয়ে নেয়া অটোরিক্সার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৩ মে রাতে ফতুল্লা থানার তৎকালীন এএসআই সুমন কুমার সঙ্গীয় ফোর্স সহ দাপা ইদ্রাকপুরস্থ ওরিয়েন্টালের বালুর মাঠে নিয়মিত ডিউটি করাকালীন অবস্থায় কনস্টেবল সোহেল রানার সঙ্গে থাকা একটি রাইফেল চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একটি পুকুর থেকে চুরি যাওয়া রাইফেলটি উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের তদন্তে রাইফেল চুরির ঘটনায় আজমীর, পারভেজের (পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত) জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এ ঘটনায় মামলা হয় আজমীরের নামে। ঘটনার তিনদিন পর পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় পারভেজ। এর মাসখানেক পর গ্রেফতার হয় আজমীর। সর্বশেষ আজমীর গ্রেফতার হয় ২০১৯ সালের ১৮ মে বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ফতুল্ল মডেল থানা পুলিশের নিকট।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন