এই খুনের নেপথ্যে কে? লাশের পাশে টাকা-মোবাইল

তাজা খবর, রাশেদুল ইসলাম রিপন: বগুড়ার আজিজুল হক কলেজে ২০১৬-১৭ বর্ষের একাউন্টিং বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাশ করেছেন বিশু মিয়া (৩২)। শহরের জামিলগর এলাকায় একটি ছাত্রাবাসে থাকতেন এবং চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতে আজিজুল হক কলেজ ক্যাম্পাসে বিশু মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। লাশের পাশেই পড়েছিল টাকা এবং মোবাইল ফোন।

পরিকল্পিত হত্যাকান্ড কিনা! এনিয়ে জনশ্রুতিতে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বলছেন, এই খুনের নেপথ্যে কে?

নিহত বিশু শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত জাহিদুল ইসলামের ছেলে।

রাত নয়টার দিকে কলেজের ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান ভবনের পিছনে এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

নিহতের ছােট বােন জাহানারা খাতুন জানান, তার ভাই বাড়ি থেকে ৪ হাজার টাকা নিয়ে তার ছাত্রবাসের এসেছিল।

স্থানীয় যুবকেরা বিশুকে কলেজের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে দৌড়া দৌড়ি করে লোকজনকে সংবাদ দেয় তখন স্থানীয় লোকজন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) হায়দার আলী, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ, সদর থানার ওসি সেলিম রেজা সহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, নিহতের বুকের পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তার মানিব্যাগে রাখা ৪ হাজার টাকা এবং মোবাইল মৃতদেহের পাশেই ছিল। তবে হত্যার কারণ এখনও জানা যায়নি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

প্রকাশ থাকে যে, গত (২ এপ্রিল) শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে উক্ত কলেজের বিজ্ঞান ভবণের পিছনে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে কর্মরত রবিউল ইসলাম (৩০) নামের পুলিশের এক এসআই হাটাহাটি করার সময় দুর্বৃত্তরা তার মুখে ও ঠোঁটে ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত করে।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন