হজে যাওয়া নিয়ে যা বলছে মন্ত্রণালয়

করোনার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো গত বছরও হজে অংশ নিতে পারেননি বাংলাদেশিরা। তবে এ বছর দুই ডোজ টিকা দেওয়ার শর্তে সৌদি সরকার বিদেশিদের হজে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ায় আশায় বুক বাঁধেন গমনেচ্ছুরা। ১৫ হাজার সৌদি নাগরিক ও ৪৫ হাজার বিদেশি মুসল্লি এবার সীমিত আকারে হজে অংশ নিতে পারবেন। তবে বাংলাদেশিরা এই সুযোগ পাবেন কিনা সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নয় ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ধর্ম সচিব আবদুল হামিদ জমাদ্দার  বলেন, সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা বর্হিবিশ্ব থেকে হাজি নেবেন ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী। এটা তো ফাইনাল না, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সুপারিশ করেছে তাদের হজ মন্ত্রণালয়কে; এ পর্যন্তই। বাংলাদেশিদের নেবে কিনা তাও জানি না। তারা বলেছে, বহির্বিশ্ব থেকে নেবে।

ভারতে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রতিবেশী বাংলাদেশের মুসল্লিরা হজ পালনের অনুমতি পাবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিজেও।

মন্ত্রী বলেন, সৌদি আবর যে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে সেটা তাদের জন্য, আমাদের দেশের জন্য কী করতে হবে, না হবে সে সিদ্ধান্ত সেখানে নেই। ৬০ হাজার হাজি নেবে বা তারও বেশি নিতে পারে, সেখানে স্থানীয় ১৫ হাজার, আর সারাবিশ্ব থেকে নেবে ৩৫ হাজার। সে জায়গাতে বাংলাদেশ আদৌ সংযুক্ত হতে পারবে কিনা সেটা তো আমরা জানি না।

এ অবস্থায় হজ পালনের অনুমতি না পেলে গমনেচ্ছুরা নিবন্ধন বাতিল করলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হজ অ্যাজেন্সিস অব বাংলাদেশের (হাব) সচিব সুলতান মাহমুদ।

তিনি বলেন, কেউ নিবন্ধন বাতিল করলে তিনি টাকা ফেরত নিতে পারেন। এ বিষয়ে কোনো বাধা নেই। যারা এরইমধ্যে নিবন্ধন বাতিল করেছেন তাদের টাকা ফেরত দিয়েছি। যার সিরিয়াল আগে আছে তার টাকা আগে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ যদি সৌদি সরকারের অনুমতি পায় প্রাপ্ত কোটা অনুযায়ী নিবন্ধনের সিরিয়াল অনুসারে তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

এ বছর ৬১ হাজার মুসল্লি হজ পালনের জন্য টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করলেও পরে টাকা ফেরত নেন ৬ হাজার জন।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন