কুরিয়ার সার্ভিস সেবায় নৈরাজ্য

তাজা খবর :: দেশের দুটি নামকরা কুরিয়ার সার্ভিসসহ অন্য আরও কয়েকটি কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ উঠেছে। প্রথম অভিযোগটি হচ্ছে, গ্রাহককে জিম্মি করে গলাকাটা মাশুল আদায় করছে এসব কুরিয়ার সার্ভিস।

দ্বিতীয় অভিযোগ, সময়মতো পণ্য ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে না। কখনো কখনো গায়েব হচ্ছে পণ্যের প্যাকেট বা বাক্স। তৃতীয়ত, গাড়িতে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহণের কারণে চাপাচাপিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্যাকেট। চতুর্থত, সঠিক ঠিকানায় পণ্য পৌঁছে দিতে আদায় করা হচ্ছে অধিক চার্জ।

কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর স্বেচ্ছাচারিতা পরিলক্ষিত হচ্ছে আম পরিবহণের ক্ষেত্রেও। ম্যাঙ্গো ট্রেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকায় এক কেজি আম বহনের মাশুল যেখানে ১ টাকা ৩১ পয়সা, সেখানে কোনো কোনো কুরিয়ার সার্ভিস আদায় করছে ১০ থেকে ২০ টাকা।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এক কেজি আমে ২০ টাকা মাশুল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, জেলা শহর থেকে রাজধানীতে একটি সাধারণ ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে কোনো কোনো কুরিয়ার সার্ভিস চার্জ করছে ৫০ টাকা।

কুরিয়ার সার্ভিসের বর্তমান অবস্থাকে নৈরাজ্যকর বলতে হবে। বর্তমানে আমের মৌসুম চলাকালে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজধানী ও অন্যান্য জেলায় আম পাঠানোর হিড়িক পড়েছে।

এই সুযোগটিই নিচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিসগুলো। এই অনৈতিক ব্যবসা চলতে পারে না। ভোক্তা অধিকার আইনে এই অসৎ ব্যবসায়ীদের শাস্তি হওয়া উচিত।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর উচিত যেসব কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে উপরোল্লিখিত অভিযোগগুলো উঠেছে, সেসবের সুষ্ঠু তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। দ্বিতীয়ত, কোন পণ্যের কত মাশুল হওয়া উচিত, তাও সুনির্দিষ্টভাবে ঠিক করে দিতে হবে এবং তা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে নিতে হবে ব্যবস্থা।- যুগান্তর

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন