মেঘ-রোদের খেলায় কাটছে ঈদ, কোথাও কোথাও বৃষ্টি

তাজা খবর রিপোর্ট :: ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। রাজধানীসহ সারাদেশে মসজিদে মসজিদে ঈদের নামাজ শেষে করোনাভাইরাস থেকে মুক্তিসহ সব বালা-মুসিবত থেকে রক্ষা পেতে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের দিন সকাল থেকেই আকাশ কিছুটা মেঘলা ছিল। এলাকাভেদে সকাল ৭টার পর থেকে কোরবানির পশু জবাই শুরু হয়। এসময় আকাশ মেঘলা থাকায় সুন্দর পরিবেশে বিপুল সংখ্যক পশু জবাই হয়। বেলা ১১টার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তবে তা অল্প সময়ে থেমে যায়।

যারা পশু কোরবানি করেছেন, তারা এ বৃষ্টিকে আল্লাহর রহমত বলে মনে করছেন। তারা বলছেন, বৃষ্টিপাত আরও বেশি হলে ভালো হতো। রাস্তাঘাটে জবাই করা পশুর রক্ত ধুয়ে যেতো, তাতে দুর্গন্ধ কম ছড়াতো। কিন্তু বৃষ্টিপাত বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। স্বল্প সময়ে বৃষ্টির পর আবার রোদের দেখা মেলে দুপুর ১২টা পর্য়ন্ত মেঘ-বৃষ্টি ও রোদেলা সুন্দর আবহাওয়ায় ঈদ উদযাপন করছে মানুষ।

বুধবার (২১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) পর্যন্ত সময়ে আবহওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

গতকাল দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রংপুরের সৈয়দপুরে ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন টাঙ্গাইলে ২৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ১১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন