একটি ব্রীজের জন্য দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ

তাজা খবর করেসপন্ডেন্ট : নাটোরের সিংড়ায় ৯নং তাজপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত হরিপুর সহ পাঁচটি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের কারন একটি ব্রীজ। ব্রীজের কারণে ফসলের ন্যায্য মুল্য হতে বঞ্চিত কৃষকরা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সহযোগিতায় একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। মটর বাইক চলাচল করলেও তা সীমিত।

ব্রিজ না থাকায় হরিপুর, পারচকে চলাচলের রাস্তার উন্নয়ন ও হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিনিয়ত মানুষ চলাচল করছে। মাথায় ধান, বস্তাসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কাঁধে করে পার হতে হচ্ছে অনেককে। বর্তমানে কোন প্রকার যানবাহন গ্রামে যাওয়ার সুযোগ নেই, একমাত্র বাঁশের ব্রিজ তার ওপর দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হয়। কিন্তু ধান, গম, ভুট্টা, পারাপারে জন্য বর্ষাকালে নৌকা, খরা মৌসোমে মাথায় করে বাঁশের ব্রিজ পার হয়ে সড়কে আনতে হয়, তারপর সেখান থেকে গাড়ি যোগে হাট বাজার পৌঁছায়।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মোবারক হোসেন, মোশাররফ, আঃ জলিল জানান, নাগর নদীর ওপর পুরাতন বাঁশের ব্রিজ, হরিপুর সহ পাঁচটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র উপায়। কিন্তু যানবাহন গ্রামে যেতে না পারায় দুগুণ খরচ করতে হয়। দীর্ঘ দিন যাবত ব্রিজের অভাবে তাদের উৎপাদিত ফসল হাট বাজারে বিক্রয় করতে পারছে না, যার জন্য কৃষকরা প্রতিবছর আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ব্রীজ। একটি ব্রিজই পাল্টে দিতে পারে হরিপুর সহ পাঁচটি গ্রাম বাসীর ভাগ্য।

গ্রামের জনসাধারণ আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপির সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন জানান, জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা ভেবে এই নদীর উপর একটি ব্রীজের জন্য সিংড়ার উন্নয়নের রুপকার মাননীয় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। খুব দ্রুত ব্রীজ নির্মানের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন