ভাটারায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

তাজা খবর করেসপন্ডেন্ট : বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) সায়েদুল হক সাঈদের বিরুদ্ধে প্যাকেজিং ফ্যাক্টরীতে শেয়ার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সায়েদুল হক সাঈদ ব্রাহ্মনবাড়িয়া সদরের মহফিজ উদ্দিনের ছেলে। বর্তমানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন।

রাজধানীর ভাটারা থানায় বিএনপি নেতা সাঈদ সহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে জিডি (নং ১৭১৯) দায়ের করেছেন ব্যবসায়ী কাজী আওয়াল হোসেন।

মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, জিডির তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জিডি সুত্রে জানা যায়, মানিকগঞ্জ সদরের আলীনগর এলাকার ব্যবসায়ী কাজী আওয়াল হোসেন রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন। তার স্ত্রীর আত্মীয় ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার নবীনগরের দোপাকান্দা এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে ফারুক হোসেনের মাধ্যমে বিএনপি নেতা সায়েদুল হক সাঈদের সঙ্গে কাজী আওয়ালের পরিচয় হয়। সাঈদের পরিচালিত পরিত্যাক্ত ‘এসকো প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামের একটি প্যাকেজিং ফ্যাক্টরী রয়েছে। অর্থের অভাবে ফ্যাক্টরী চলানো সম্ভব হচ্ছে না জানিয়ে ব্যবসায় শেয়ার এবং চেয়ারম্যান করার প্রলোভন দেখায় ফারুক, সাঈদ এবং ইয়াসিন।

বিভিন্ন তারিখে প্রয়োজন অনুযায়ী ওই ফ্যাক্টরীতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল ক্রয় করে দেন কাজী আওয়াল। ফ্যাক্টরীর মালামাল এবং নানা খরচ হিসেব মোতাবেক মেসার্স তা’সীন এন্টারপ্রাইজ এর নামীয় এসআইবিএল ব্যাংকের চেক নং-৩৩১১৯৭৬ প্রদান করেন আওয়াল।

অফিসটি বর্তমানে বিএনপির রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ফ্যাক্টরীর লোকসান দেখানো হচ্ছে। তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করলেও ফ্যাক্টরীর কোনো ধরণের হিসেব পাননি। আউয়ালের কোনো সিদ্ধান্তই তারা নেননি এবং বর্তমানে অফিসটি বিএনপির রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) সায়েদুল হক সাঈদ বলেন, ফ্যাক্টরীর শেয়ার এবং সব হিসেব তাকে (আউয়াল) বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি টাকা পাব, আউয়ালের চেক আমার কাছে আছে।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন