যেভাবে আত্মগোপনে ছিলেন মুফতি শফিক

তাজা খবর করেসপন্ডেন্ট :: রমনা বটমূলে বোমা হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মুফতি শফিকুর রহমান দীর্ঘ ২১ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গতরাতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীতে কারওয়ান বাজারের র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এতে লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিস্তারিত তুলে ধরেন।

খন্দকার মঈন বলেন, ‘রমনা বটমূলে হামলার পর ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মুফতি শফিক আত্মগোপনে থেকে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এরপর নিজের নাম-পরিচয় পরিবর্তন করেন। আব্দুল করিম নাম ধারণ করে ২০০৮ থেকে নরসিংদীর একটি মাদরাসায় আত্মগোপন করেন তিনি।’

‘নরসিংদীর চর এলাকায় অবস্থিত একটি মসজিদে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা বেতনে ইমামতির চাকরি নেন শফিক। ইমামতির আড়ালে তিনি মানুষের মাঝে ধর্মের নামে বিভ্রান্তিমূলক অপব্যাখ্যা প্রচার করতেন। কৌশলে মাঝে মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতেন।’

মুফতি শফিকুর রহমান ওরফে আব্দুল করিম ওরফে শফিকুল ইসলামের বর্তমান বয়স ৬১ বছর। ২০০১ সালে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আসামি তিনি।

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন