পুরুষরা যৌন ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হলে আইনে করণীয় (!)

তাজা খবর, মো. হায়দার তানভীরুজ্জামান :: যদি কোন নারী প্রকাশ্য স্থানে কোন অশ্লীল কাজ করে বা নারীর দ্বারা এডামটিজিং / পুরুষ মানসিক নির্যাতনের এর স্বীকার হন?

আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন আইনে আইনগত পদক্ষেপ নিবেন-

যে নারী শরীর দেখায় যৌন আবেদন মেখে, তাকে যৌনমোড়কী করণ বলে।

  • যৌনমোড়কী (sexualisation) করণ হল পুরুষের স্বাস্থ্য বিনষ্ট করা ও পুরুষকে ধর্ষণ ফাঁদে টেনে আনা। এটা (sexualisation) পুরুষ অধিকারকে মহিলারা নস্যাৎ করছে। পুরুষের অধিকার সুস্থ থাকা, যৌন সংগম করা এটা পুরুষের মানবাধিকার। একে সুরক্ষিত করুন।

যদি কোন নারী প্রকাশ্য স্থানে কোন অশ্লীল কাজ করে বা কোন নারীর দ্বারা কোন পুরুষ এডামটিজিং/যৌনমোড়কীকরণ এর স্বীকার হন, যার ফলে গণ উপদ্রপ সৃষ্টি হয়, তবে আপনি চাইলে নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করতে পারেন আইনের ধারাতে-

গণউপদ্রপ : ধারা ২৬৮ দন্ড বিধি
যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

ধারা : ২৯৪ অশ্লীল কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি অন্যের বিরক্তি সৃষ্টি করে –
(ক) কোন প্রকাশ্য স্থানে কোন অশ্লীল কাজ করে,
(খ) কোন প্রকাশ্য স্থানে বা কোন প্রকাশ্য স্থানের সন্নিকটে কোনরূপ অশ্লীল সংগীত, গাথা বা কথা গীত করে, আবৃত্তি করে বা উচ্চারণ করে, তবে সে ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Find my Advocate এর গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৬০% পুরুষ কোন নারীর এ রকম কর্মকান্ডে কিভাবে আইনগত পদক্ষেপ নিবেন, তাদের জানা নেই। এজন্য করণীয় তুলে ধরা হলো।

লেখক:  এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
গবেষক: find my Advocate

 

সংবাদটি শেয়ার এবং লাইক করুন